কলেজে বন্ধুদের সাথে সময় কাটানোর বিভিন্ন উপায়?
![]() |
| কলেজ বন্ধু |
কলেজ মাঠে শহীদ মিনারের পাশে একটি লম্বা ইউক্যালিপটাস গাছের ছায়ায় লীলাকে দেখে মনে হচ্ছিল সে যেন স্বপ্নে দেখা দৃশ্যের কোন চরিত্র। সূযের আলো ইউক্যালিপটাস গাছের চিকন পাতার ফাক দিয়ে তার মুখে এসে পড়ছিল। হালকা বাতাসে তার লম্বা চুলগুলো মৃদু দোলচ্ছিল ।
সবাই জানে লীলা একদম শান্ত স্বভাবের একটা< মিষ্টি> মেয়ে যে কিনা কলেজের অন্যান্য ছাত্রীদের মতো এতো হৈচৈ পছন্দ করে না।< ক্লাস শেষে> লীলা সবসময় শহীদ মিনারের সাথে ইউক্যালিপটাস গাছের নিচে বন্ধুদের জন্য অপেক্ষা করত। জায়গাটি তার কাছে বরাবরই ভালোলগত। আর লাগবেইনা কেন, শহীদ মিনারের কাছে আসলে মুখের ভাষা বাংলা ভাষা কেড়ে নেওয়ার ইতিহাসের কথা মনে পড়ে যায়। নিজের মধে অজান্তেই বাঙ্গালীদের সাহসীকতায় সাহস চলে আসে। শহীদ মিনার আত্মত্যাগের পাশাপাশি এটি তার দেশের মাতৃভাষা বাংলাকে পাকিস্তানিদের হাত থেকে রক্ষা করার দৃঢ় সংকল্পেরও প্রতীক।
এখানেই সে তার চিন্তায় এতই নিমগ্ব ছিল যে তার চারপাশের বিশ্বকে সে হারিয়ে ফেলে। যদিও বাতাসে নতুন কিছু উদ্ভাসিত হওয়ার সূচনা অনুভব করছিল। কিন্তু সেটা ঠিক কি বুঝতে পারছিল না।
মাত্র কয়েক ফুট দূরে নিজেকে বিল্ডিংয়ের এক কোণে আরাল করে দাঁড়িয়ে সোহাগ মৃদু হাসি মুখে লীলাকে পর্যবেক্ষণ করছে। চারপাশের পরিবেশের সাথে মিশে যাওয়া লীলাকে দেখে সে কিছুটা মুগ্ধ।
কিন্তু ক্যাম্পাসের দিক থেকে স্বাধীনকে আসতে দেখে তার মনোযোগ নষ্ট হয়ে যায়। স্বাধীন, একজন ইন্টারমিডিয়েট প্রথম বর্ষের ছাত্র। কলেজে একদমই নতুন মুখ। সরলতার ছাপ ছারা কোন রকম কপটতার চিহৃ তার মুখে নেই।< লম্বা>, সুঠাম দেহের অধিকারী একজন নিরেট নিষ্পাপ ভ্রদ্রছেলে।
ক্যাম্পাসের জাঁকজমক, হৈহল্লোরের মধ্যে ব্যস্ত থাকতে অভ্যস্থ কলেজের অনেক মেয়ের রাতের ঘুম কেড়ে নেওয়া <ডাকসাইটে নামকরা বিত্তশালী পিতার একমাত্র ছেলে> সোহাগের কাছে ইউক্যালিপটাস গাছ, শহীদ মিনার আর লীলার মিশ্রনে তৈরী এ অপরুপ দৃশ্য তাকে শুধু কৌতূহলই নয় হতবাক করে দেয়েছে। এর মধ্যে আগমন ঘঠে স্বাধীনের। সোহাগের জন্য, এটি একটি নতুন ছাত্রের আগমনের চেয়েও বেশি কিছু ছিল। সে স্বাধীনের মধ্যে এমন কিছু দেখেছিল যা সে কখনই আশা করেনি। স্বাধীন ইউক্যালিপটাস গাছের কাছাকাছি যাওয়ার সাথে সাথে, লীলা তার চিন্তার জগৎ থেকে বাস্তবে ফিরে আসে।
লীলা স্বাধীনের দিকে তাকায়, দুজোড়া চোখ একে অপরকে পরখ করে। মিষ্টি হাসি দিয়ে লীলা স্বাধীনকে জিজ্ঞাসা করে, এতো দেরী হলো?< দু’জনের কথাবাতায় মনে হচ্ছে তারা পুবে থেকেই পরিচিত।>
স্বাধীন ইতস্তত করে, তারপর হাসল, একটু লাজুক কিন্তু অকৃত্রিম। যেন কোন কিছু লুকাতে গিয়ে ধরা পড়েছে। মুহূর্তটি সংক্ষিপ্ত, তবুও প্রতিশ্রুতির অনুভূতিতে অভিযুক্ত। রীতাকে খবর দিতে গিয়ে দেরী হয়ে গেছে-স্বাধীন ছোট্ট করে উত্তর দেয়। <রিতা, লীলার বান্ধবী>
সোহাগ এক দৃষ্টিতে তাদের চোখ বিনিময় দেখছিল, তার হৃদয় লীলার জন্য যে মুগ্ধতা অনুভব করেছিল স্বাধীনের উপস্থিতিতে তার কিছুটা ভাটা পড়ে। সে সবকিছু বুঝার জন্য সময় নিচ্ছে, বাঘ যেমন তার শিকারকে ধরার আগে সময় নেয়।
সোহাগের মধ্যে একরকম অনুভূতি কাজ করছিল যে তাদের গল্পগুলি একে অপরের সাথে পরস্পর জড়িত। কিন্তু সেটা কি? তা সে বুঝতে পারছিল না। ইউক্যালিপটাস গাছের ছায়া যত দীর্ঘ হতে থাকে, তারা তিনজনই অজানা কিছুর দ্বারপ্রান্তে দাঁড়ায়, প্রত্যেকে তাদের নিজস্ব আশা, ভয় এবং গোপনীয়তা বহন করে। সোহাগ, লীলার নির্মল উপস্থিতিতে আকষিত; স্বাধীনের চোখে মৃদু রহস্যে কৌতূহলী লীলা; এবং লীলা, এই নতুন জায়গায় নতুন বন্ধুত্ব এবং সম্ভাবনার অজানা ভবিষ্যৎ অনুভব করছে।
শহীদ মিনারের কাছে ইউক্যালিপটাস গাছের ছায়ায় সংগঠিত এই সম্পকগুলো কোথায় নিয়ে যাবে তা দেখার অপেক্ষায় কলেজের মাঠটা যেন নিঃশ্বাস বন্ধ করে আছে। সূর্য হেলে গেছে বোধ হয় ঘড়িতে সময় ২.০০/২.৩০। ইউক্যালিপটাস গাছের ছায়া শহীদ মিনারকে ছুয় ছূয় করছে যেখানে লীলা এখনও দাঁড়িয়ে আছে, তার চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছে। স্বাধীন, লীলাকে কোন কিছু বুঝানোর চেষ্টা করছে।
সোহাগ তার বুকের মধ্যে একটি চিনচিন ব্যাথা অনুভব করে যা সে পুরোপুরি ব্যাখ্যা করতে পারে না - লীলার শান্ত উপস্থিতি সম্পর্কে কিছু তার সাথে সম্পকিত বলে মনে হচ্ছে। সোহাগ দূর থেকে দেখতে থাকল, অশৈনি সংকেতে তার মন কিছুটা অস্থির। লীলা, যে মেয়েটা দীর্ঘদিন ধরে তাঁর নীরব আনন্দ, উদ্দীপনার হাতিয়ার ছিল, তাকে আজ আরও বেশি চঞ্চল, আবেগে শিহরিত মনে হচ্ছে, নতুন কারও আগমনে তা এই নতুন ছেলেটা না অন্য কিছু? কিন্তু এখন, এই দৃশ্যে নতুন অভিনেতার হঠাৎ করেই আগমন ঘটে যা স্ক্রিপ্টে ছিল না - স্বাধীন। সোহাগ সিদ্ধান্ত নিতে পারেনা যে সে হিংসা বা স্বস্তি কোনটি অনুভব করছে? এটি এমন ছিল যে সে এমন একটি গল্পের উদ্বোধনী অভিনয়ের সাক্ষী হতে যাচ্ছে যা তাদের সমস্ত জীবন পরিবর্তন করতে পারে এবং সে এতে কী ভূমিকা পালন করবে তা নিশ্চিত ছিলো না। লীলা, তার দিকে কারও দৃষ্টির অস্তিত্ব অনুভব করল, ছায়ায় সোহাগের পরিচিত মুখ দেখতে কিছুটা হতবিহ্বলে ঘুরে গেল।
সে ঠিক বুঝতে পারেনা কেন সে এই মেয়েটির প্রতি এত আকৃষ্ট, যার সাথে সে প্রতিনিয়ত দেখা করে মানে লীলার অজান্তে লীলাকে দেখে কিন্তু চুপি চুপি। সে জানত যে অনুভূতিটি বাস্তব এবং সূয, চন্দ্রের মত সত্য। লীলার সামনে গিয়ে সোহাগ স্বাধীনের সাথে কথা বলার জন্য যথেষ্ট সাহস জোগাড় করে এবং স্বাভাবিকভাবে বলতে গিয়ে কিছূটা উচ্চস্বরে বলে, "হাই, কলেজে স্বাগতম, <আমি সোহাগ”,উষ্ণ হাসি দিয়ে সোহাগ তার হাত বাড়িয়ে দিল,> যেন লীলাকে শোনাচ্ছে, কিছুট নার্ভাস, কিন্তু তার চোখে ছিল আন্তরিকতা।
স্বাধীন মৃদু হেসে সোহাগের বাড়িয়ে দেওয়া হাত করমর্দন করে তার প্রশ্নের উত্তর ফিরিয়ে দেয়-<"ধন্যবাদ,> "আমি স্বাধীন, আপনার সাথে দেখা হয়ে ভালো লাগলো। আপনি কি এখানে লীলার সাথে পড়াশুনা করেন?” সোহাগ মাথা নেড়ে ক্যাম্পাসের চারপাশে তাকাল যেন ক্যাম্পাসটিকে প্রথমবার দেখছে। তারপর উত্তর দেয় আমি উনার চেয়ে এক বছরের সিনিয়র। আবারো যেন লীলাকে জানাচ্ছে। সোহাগের আকস্মিক উপস্থিতিতে লীলাও কিছুটা অবাক, তবে নিজেকে সামলে নিয়ে কিছুটা কৈফৎ দেওয়ার মতো করে বলে ”ও আমার স্কুল জীবনের বন্ধু, অন্য কলেজ থেকে আজকেই ট্রান্সফার হয়ে এসেছে। ”
স্বাধীনের দৃষ্টি ফিরে গেল শহীদ মিনারের দিকে, তারপর তারা যে গাছের নিচে দাঁড়িয়েছিল তার দিকে। "এটা বোধ হয়...মোটামোটি নিরিবিলি জায়গা, ক্যাম্পাসের হৈহল্লর থেকে অনেক নিরব।< পরিবেশ সহজ করার জন্য অথবা নতুন আগন্তককে শান্তনা দেওয়ার জন্য স্বাধীন কথাগুলো সবার উদ্দেশ্যে বলে।> " লীলা উপরের দিকে নড়াচড়া করতে থাকা ইউক্যালিপটাস <গাছের> পাতার দিকে তাকাল, তার চোখের দৃষ্টি অনেক দূরে, গাছের পাতা ছাপিয়ে আকাশের দিকে। ইউক্যালিপটাস গাছের ডাল শহীদ মিনারের দিকে এমনভাবে নুয়ে আছে যেন শহীদ মিনারের সাথে চুপিচুপি কথা বলছে।
সোহাগ ভাবে আর কি গল্প করা যায় লীলার সাথে! সে যদি তার জীবন গল্পের কোন অংশ হতো তাহলে কতোইনা কথা বলা যেত। লীলা খানিকটা ঘুরে, দূর থেকে সোহাগকে দেখল। তার দৃষ্টি নরম হয়ে গেল - সে জানত যে সে সবসময় কাছাকাছি থাকে, আর তার দিকে নজর রাখে। কিন্তু আজ সে একটা পরিবর্তন অনুভব করল, যেন স্বাধীনের উপস্থিতি তাদের অব্যক্ত সংযোগের স্বাভাবিক ছন্দকে বদলে দিয়েছে। এক মুহুর্তের জন্য, তারা তিনজন একটি ত্রিভুজ মোহনায় এসে দাঁড়িয়েছে, তারা একে অপরের উপস্থিতি সম্পকে বিভিন্ন উপায়ে সচেতন ছিল। অব্যক্ত কথায় বাতাস পুরু ছিল, সম্ভাবনার দ্বাড় আবেগে আবর্তিত হচ্ছিল।
সূর্যের রশ্মি ম্লান হওয়ার আগে লীলার চোখ সোহাগের সাথে মিলিত হয় এবং তারপর স্বাধীনের সাথে। একটি ছোট, তীক্ষ্ণ হাসি তার ঠোঁটে সবসময় লেগেছিল, যেন সেও অনুভব করেছিল যে ক্যাম্পাস থেকে দূরে এই শান্ত জায়গায় কিছু পরিবর্তন হয়েছে।
স্বাধীন, সোহাগকে ভালোভাবে লক্ষ্য করে দেখে । তার জীবনের এই নতুন অধ্যায় সম্পর্কে স্বাধীনের কৌতূহল আরও গভীর হয়, এবং এর সাথে এই ধারণাটি আসে যে ইউক্যালিপটাস গাছের নীচে এই মুখোমুখি হওয়া এমন কিছুর সূচনা যা তাদের কেউ এখনও পুরোপুরি বুঝতে পারেনি।
লীলা, স্বাধীন এবং সোহাগ সূক্ষ্ম ভারসাম্যের মধ্যে দাঁড়িয়েছিল, প্রত্যেকে উন্মোচিত গল্পের একটি অংশ ধারণ করেছিল, এটি তাদেরকে কোথায় নিয়ে যাবে তা নিশ্চিত নয় তবে এই মুহূর্তটি যতই ছোট হোক না কেন, এটি কেবল শুরু ছিল। ক্যাম্পাস এখন নিরব হয়ে গেছে , মাত্র কয়েকজন স্ট্রাগলার কলেজ মাঠের মধ্য দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে। কথোপকথন এবং হাসির মৃদু গুঞ্জন ম্লান হয়ে গেল, শুধু ইউক্যালিপটাস পাতার ঝড়ঝঞ্ঝা আর গেটের ওপারে দূরের যানজটের শব্দ <ছাড়া>।
স্বাধীন লীলার দিকে তাকাল, তার চোখ মিনারের দিকে স্থির। সে তাদের মধ্যে নীরবতা ভাঙ্গার প্রয়োজন অনুভব করল, এই ভেবে যে এটি এমন একটি সময় যেন এই সুযোগ কাজে না লাগালে তা পিছলে যেতে পারে। "তাহলে... তুমি কি এখানে প্রায়ই আস?" লীলাকে জিঙ্গাসা করল। স্বাথীনের কথায় লীলা ফিরে তাকায় এবং মৃদু হেসে সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দেয়- "হ্যাঁ, প্রায় প্রতিদিন।”আরও যোগ করে "ক্যাম্পাসে এটা আমার প্রিয় জায়গা। আমি ক্লাসের ফাকে অবসর পেলে বান্ধবীদের নিয়ে এখানে আসি।”
স্বাধীনের জন্য, এই কলেজটি হলো একটি নতুন পৃথিবী- এমন একটি জায়গা যা সে আশা করেছিল নতুন অভিজ্ঞতা, নতুন বন্ধুত্ব, এমনকি নতুন করে অনেকদিন ধরে ভেবে রাখা কল্পনার বাস্তব রুপ দেওয়া শুরু করার সুযোগ নিয়ে আসবে।এখন, এখানে লীলার সাথে দাঁড়িয়ে, তার মনে ধারনা হতে শুরু করলো যে এই নতুন পৃথিবী ইতিমধ্যেই অপ্রত্যাশিত উপায়ে উন্মোচিত হতে শুরু করেছে।
সে সাড়া দেবার আগেই, লীলা তার দিকে তাকাল, তার দৃষ্টি আবার সোহাগের ছায়ামূর্তিটির দিকে স্থির হল। তার চোখে একটা প্রশ্ন ছিল, যেটা অনেক <দিন> ধরে ঘুরপাক খাচ্ছিল। কেন সোহাগ সর্বদা দূরত্বে থাকত, পর্যবেক্ষণ করত কিন্তু কথা বলত না? সে তার শান্ত ও নিরবতার প্রশংসা করত, যেভাবে সে নিজের মধ্যে একটি পুরো বিশ্বকে বহন করে আছে বলে মনে হয়।
সোহাগ একটি গভীর শ্বাস নিলো, তার মন নানান চিন্তায় ঘুরপাক খাচ্ছে। তার কি আলাপচারিতা আরো করা উচিত কিনা? মনে হয় অনেকদিন পর বন্ধু এসেছে, তাদের নিজেদের মধ্যে পুরোনো কিছু কথা থাকতে পারে? যেখানে তার উপস্থিতি তাদেরকে অসস্থিতে ফেলতে পারে। নাকি সে শুধু তাদের কথোপকথনের একটি অংশ হয়ে থাকবে? নাকি তার হস্তক্ষেপ ছাড়াই লীলা ও স্বাধীনের মধ্যে এই বন্ধনকে বিকশিত করার জন্য পিছু হটতে হবে?
সে সিদ্ধান্ত নিতে পারার আগেই লীলা তাকে ডেকে উঠল, তার কণ্ঠ মৃদু অথচ দৃঢ়। "সোহাগ ভাই, আমাদের সাথে যোগ দিন।" শব্দগুলি বাতাসে ঝুলেছিল, যা সঙ্গে সঙ্গে একটি সেতু তৈরি করে যা সে আর উপেক্ষা করতে পারে না।
এক মুহুর্তের জন্য, সময় স্থির হয়ে গেল। স্বাধীন লীলার দিকে তাকাল, তারপর সোহাগের দিকে, বুঝতে পারল এখানে একটা ইতিহাস আছে, যা সে পুরোপুরি বুঝতে পারেনি। কিন্তু একজন বহিরাগতের মতো বোধ করার পরিবর্তে, সে নিজেকে একজন শ্রোতা, দশক হিসেবে খুঁজে পেল - এই গল্পটি কীভাবে তাদের তিনজনকে একত্রিত করতে পারে তা ভাবছিল। সোহাগ ইতস্তত করে বলল,” তোমার পুরোনো বন্ধু এসেছে, তোমাদের মধ্যে অনেকদিনের জমানো কথা থাকতে পারে।” মেঘে ঢাকা সূর্যের মৃদু আভায় তার মুখ আলোকিত হল। সে ধীরে ধীরে তাদের দিকে এগিয়ে গেল, প্রতিটি পদক্ষেপে অব্যক্ত শব্দ এবং লুকানো অনুভূতির ওজন বহন করে।
চলবে....

No comments